ওষুধ ব্যবহারে শুরুতেই অনেক বেশি ওজন কমে যায়। বিষয়টি নিয়ে করা সবচেয়ে বড় ও সর্বশেষ পর্যালোচনায় এ ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।ওজন কমানোর আধুনিক ওষুধ বন্ধ করার পর মানুষের ওজন পুনরায় দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, এই ওষুধ ছেড়ে দেয়ার পর ডায়েট বা ব্যায়ামের তুলনায় চার গুণ দ্রুতগতিতে ওজন ফিরে আসে।প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
ব্রিটিশ গবেষকদের মতে, এর প্রধান কারণ হলো, এই ওষুধ ব্যবহারে শুরুতেই অনেক বেশি ওজন কমে যায়। বিষয়টি নিয়ে করা সবচেয়ে বড় ও সর্বশেষ পর্যালোচনায় এ ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।
ক্ষুধা কমানো ও ইনজেকশনভিত্তিক এই ওষুধগুলো গত কয়েক বছরে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। স্থূলতা ও ডায়াবেটিস চিকিৎসায় এগুলো অনেক দেশে আমূল পরিবর্তন এনেছে। এই ওষুধগুলো শরীরের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির জনস্বাস্থ্য পুষ্টি বিজ্ঞানী এবং বিএমজে স্টাডির সহ-লেখক সুসান জেব বলেন, ‘শুনতে সব ভালোই মনে হচ্ছে।’
তবে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী প্রায় অর্ধেক মানুষ এক বছরের মধ্যে এসব ওষুধের ব্যবহার বন্ধ করে দেন। বমি বমি ভাব বা উচ্চমূল্যের কারণে এটি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে এসব ওষুধের পেছনে মাসে এক হাজার ডলারের বেশি খরচ হয়।
গবেষকরা বিভিন্ন ওজন কমানোর ওষুধ নিয়ে করা ৩৭টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখেন, ওষুধ ছাড়ারপর অংশগ্রহণকারীদের প্রতি মাসে প্রায় ০.৪ কেজি করে ওজন বেড়েছে।
গবেষণার আওতাভুক্ত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোর মধ্যে ছয়টি ছিল সেমাগ্লুটাইড ও টিরজেপাটাইড বিষয়ক।
গবেষণায় দেখা যায়, ওষুধ চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা গড়ে প্রায় ১৫ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন। কিন্তু ওষুধ বন্ধের এক বছরের মধ্যে তাদের ওজন ১০ কেজি বেড়ে যায়।গবেষকদের ধারণা, ১৮ মাসের মধ্যে তারা আগের ওজনে ফিরে যাবেন। এমনকি রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রাও ১.৪ বছর পর আগের অবস্থায় ফিরে আসে।












Leave a Reply